এবারের নির্বাচনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে হারানো নির্বাচনী ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা। নির্বাচন কমিশন এ সুযোগ হারাতে চায় না বলে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুরে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কমিশনার বলেন, বিগত সময়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারা ঠিকভাবে কাজ করতে পারেননি তবে এবার নিরপেক্ষ মানুষদের দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং ক্ষমতায়ন করা হবে। একই সাথে সমভাবে ভোট আয়োজনের জন্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচন দেওয়া হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোথাও ইভিএম ব্যবহার হবে না। ব্যালটে নির্বাচন হবে। বিচারিক এবং রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে তফসিল ঘোষণার সময় যারা নিবন্ধিত থাকবেন, তাদের নিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জুনের মধ্যেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে, আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন ভোটাররা তালিকাভুক্ত হবেন তবে এর মাঝে কোন আইন দ্বারা তাদের তালিকাভুক্তই করা হতে পারে। নিরপেক্ষ এবং সাহসী প্রিজাইডিং অফিসারদেরকেই নির্বাচনে দায়িত্ব দেয়া হবে, তাদের সম্পূর্ণ ক্ষমতায়ন করা হবে, যাতে তারা স্বচ্ছভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে।
ইজি সানাউল্লাহ বলেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তাতেও সহযোগিতা করবে নির্বাচন কমিশন। এ সময় শুধু এনআইডি সংশোধনের জন্য ৩ লাখ ৮৮ হাজার আবেদন পেন্ডিং আছে উল্লেখ করে নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও এনআইডিতে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে সতর্কভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন কমিশনার।
মতবিনিময় শেষে নতুন ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নির্বাচন কমিশনার। এ সময় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, জেলা পুলিশ সুপার আবু সাইম ও রংপুর বিভাগের নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।