কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে শেখ হাসিনার গঠিত তদন্ত কমিশন বাতিল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। তীব্র চাপের মুখে এই কমিশন গঠন করতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বলা হয়েছিল, সব হত্যার বিচার করা হবে। যদিও সেটি নিয়ে যথেষ্ট আস্থার ঘাটতি দেখে সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) এটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদসচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘এসআরও নং ২৯৯-আইন/২০২৪। সরকার, Commissions of Inquiry Act, 1956 (Act No. VI of 1956) এর section 7 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন এসআরও নম্বর ২৮০-আইন/২০২৪ দ্বারা গঠিত ৩ (তিন) সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশন এতদ্বারা বাতিল ঘোষণা করিল’।
এতে আরো বলা হয়, ‘এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।’
গত ১ আগস্ট গঠন করা এ তদন্ত কমিশনের প্রধান ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান। সদস্য হিসাবে ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী।
কমিশনস অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬ অনুযায়ী কমিশনকে ১৬ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত নিহত ব্যক্তিদের মৃত্যুর কারণ উদঘাটন ও তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। এছাড়া কমিশনকে ‘সহিংস’ কর্মকাণ্ডের ঘটনায় বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দায়িত্বও দেওয়া হয়।