বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিগত সময়গুলোতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। আইন করার মাধ্যমে ২০১০ সালে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই প্রকল্প নেওয়া হতো। এর মধ্য দিয়ে খাতিরের লোকদের প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানো হতো। উদ্দেশ্য ছিল অনিয়মের মাধ্যমে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে, নানা অজুহাতে গ্রাহকের কাছে বেশি দামে বিক্রি করা।
শনিবার (২৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া এলাকায় ৩৫ মেগাওয়াটের স্পেক্টা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সহসাই বিদ্যুতের দাম কমানো যাচ্ছে না জানিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, কারণ প্রতিবছর এ খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ইতোপূর্বে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেনায় এ সমস্যা হয়েছে। কম দামে বিদ্যুৎ না কেনা পর্যন্ত আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
এ সময় মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, স্পেক্টা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আফতাব উদ্দিন খান, মানিকগঞ্জ পাওয়ার গ্রিডের নির্বাহী প্রকোশলী গিয়াস উদ্দিন, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেনসহ অনেকেই এ সময় উপস্থিত ছিলেন।