যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গত মাসে। দেশটি বলেছে, দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
আজিজের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খুলেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এই নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তা পুনঃনিশ্চিত করেছে বলে উল্লেখ করেছে দপ্তরটি। দুর্নীতি রোধে বাংলাদেশে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে পেন্টাগন সেগুলোকেও সমর্থন করে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ জুন) সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে পেন্টাগনের মুখপাত্র বলেন, “ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িত থাকার দায়ে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। গত মে মাসে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।”
এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে শক্তিশালী করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেটিকে পুনঃনিশ্চিত করছে এবং দুর্নীতি রোধে (বাংলাদেশে) যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেগুলোকে সমর্থন করে (পেন্টাগন) বলেও উল্লেখ করেন মুখপাত্র।
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার আরও বলেন, “অবাধ এবং মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, সামুদ্রিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে সেখানে অংশীদারত্ব বিরাজমান রয়েছে।”
উল্লেখ্য, গত মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িত থাকার দায়ে তার বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে জেনারেল আজিজ আহমেদের পরিবারের সদস্যদেরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।