• ৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

জনগণকে নয়, ভারতকে খুশি করতে রাজনীতি করে আ’লীগ: গয়েশ্বর

bijoy71news
প্রকাশিত মে ৯, ২০২৪
জনগণকে নয়, ভারতকে খুশি করতে রাজনীতি করে আ’লীগ: গয়েশ্বর

আওয়ামীলীগ দেশের জনগণকে নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতকে খুশি করতে রাজনীতি করে ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তি‌নি ব‌লে‌ছেন, ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে পারবে না।’

বৃহস্পতিবার (৯ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণঅধিকার পরিষদ (একাংশ-রেজা) আয়োজিত ‘সীমান্ত হত্যা বন্ধ; আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদ বিরোধী’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ের চেয়ে আগ্রাসনবিরোধী লড়াই কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে বয়কট করা অত্যন্ত জরুরি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও দেশের জনগণ এখনো স্বাধীন নয়। কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছে বাংলাদেশ। গণতন্ত্র কখনো আসবে, কখনো যাবে। গণতন্ত্র চলে গেলে লড়াই করতে হবে। তাহলে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। কিন্তু আগ্রাসনবিরোধী লড়াই করা কঠিন।’

গয়েশ্বর আরও বলেন, ‘বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা ভালো বলতে পারবেন, বর্তমানের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ব্যাংকের যে করুণ চিত্র কিছুদিন পরে কর্মীদের বেতন দেওয়ার টাকা থাকবে না, চেয়ার-টেবিল বিক্রি করে তাদের বেতন দিতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে কি শেখ হাসিনা যাবেন না? যাবেন, যেতেই হবে। ভারত তাকে রাখতে পারবে না। বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে আজ ভারতের যে আধিপত্য এবং আগ্রাসন, এখান থেকে দেশকে রক্ষা করতে না পারলে আমাদের সামনে অন্ধকার।  দেশকে রক্ষার জন্য সব দলকে এক হয়ে মাঠে নামতে হবে।’

প্রধান বক্তা হিসেবে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘দেশ আজ ভয়াবহ সংকটে। পুরো বাংলাদেশ আজ কাঁটাতারে বন্দি। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হলে, দেশ থেকে ভারতকে সবার আগে হটাতে হবে। বাংলাদেশের আসল শত্রু এখন ভারত। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই দরকার। তার জন্য আমাদেরকে এখন বৃহত্তর একটি জাতীয় ঐক্যের দিকে হাটতে হবে। গণঅধিকার পরিষদ এই আন্দোলন সফল না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে।’

দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ফারুক হাসানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা সৈয়দ এহসানুল হুদা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।