• ৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

কারাগার থেকে সব খোঁজ রাখছেন মির্জা ফখরুল, কীভাবে?

bijoy71news
প্রকাশিত অক্টোবর ৩০, ২০২৩

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রবিবার দিবাগত রাতে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। তিনি এখন কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। স্ত্রী রাহাত আরা বলছিলেন, ৭৫ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল প্রচণ্ড অসুস্থ, তার চিকিৎসা চলছিল। সূত্রে জানা গেছে, ‘অসুস্থ’ মির্জা ফখরুল কারাবন্দি থাকলেও দেশের খোঁজখবর রাখছেন তিনি। কারাগারের একটি সূত্র বলছে, কারাগারে নেওয়ার পর মির্জা ফখরুলকে ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। রাতে নেওয়ার পর কারা চিকিৎসক তার শারীরিক পরীক্ষা করেন। পরে তাকে একটি কক্ষে রাখা হয়। সেখানে তাকে দেখাশোনার জন্য লোক রয়েছে।

সূত্রটির ভাষ্য, সোমবার সকালে বিএনপি মহাসচিব ঘুম থেকে ওঠার পর চা-বিস্কুট খেয়েছেন। এর পরে পত্রিকা পড়ে দেশের খোঁজখবর জানেন।

এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ ঘোষের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিএনপির হরতালে রবিবার দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওইদিন সারা দেশে সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মির্জা ফখরুলকে রবিবার দিনভর ডিবি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়া হয়। এর পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে মির্জা ফখরুলকে রমনা থানায় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আদালতে নেওয়ার পর মির্জা ফখরুলকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে ফখরুলের পক্ষে অ্যাডভোকেট মহসীন মিঞা, অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি আব্দুল্লাহ আবু জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

যেভাবে গ্রেপ্তার মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তারের পর তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘সকালে ডিবি পুলিশের লোকজন বাসায় যান। মির্জা ফখরুলসহ বাসার সবার সঙ্গে কথা বলেন তারা। এরপর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও হার্ডডিস্ক বাসা থেকে নিয়ে চলে যান। এর ঠিক ১০ মিনিট পর আবার ফিরে এসে ফখরুলকে নিয়ে যান।’

রাহাত আরা বেগম বলেন, ‘মির্জা ফখরুল প্রচণ্ড অসুস্থ, তার চিকিৎসা চলছিল। এভাবে নিয়ে যাবে মেনে নিতে পারছি না। ৭৫ বছর বয়স্ক মানুষ।’