বি৭১নি ডেস্ক ::
দেশের কয়েকটি স্থানে বিভিন্ন পীরের অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকে। সে হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছেন।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের ১৫টি গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭ নং বড়কুল ইউনিয়নের সাদ্রা দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা ইসহাক সাহেবের অনুসারীরা এভাবে ঈদসহ সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান করেন।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৭ গ্রামে প্রতিবছরের মতো এবারও আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে কাদরিয়া-চিশতিয়া তরিকার অনুসারীরা। বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ ১০টি গ্রামে বৃহস্পতিবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুরের অর্ধশত পরিবারে আজ বৃহস্পতিবার ঈদ পালন অনুষ্ঠান চলছে। সৌদী আরবের সঙ্গে মিল রেখে এসব পরিবার ঈদ পালন করছেন বলে তারা জানান।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়াসহ আশপাশের উপজেলার ৬০টি গ্রামে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে। সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা শুরু করেছিলেন। সে হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে একদিন আগেই তারা ঈদ উদযাপন করছেন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার বৃহস্পতিবার ঈদুল-ফিতর উদযাপন করছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এরা ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এরা এলাকায় ‘চান টুপি’র লোক হিসেবে পরিচিত। মূলত এরা কাদরিয়া চিশতিয়া তরিকতের অনুসারী।
প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জের একটি মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছে ‘জাহাঁগিরিয়া তরিকার’ অনুসারীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফতুল্লার লামাপাড়ায় হযরত শাহ সুফি মমতাজিয়া এতিমখানা ও হেফজখানা মাদ্রাসায় ঈদের নামাজটি অনুষ্ঠিত হয়।