নিজস্ব প্রতিবেদক :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার। ভোটারদের মন জয়ে প্রার্থীরা শেষ দিনের মতো ভোট চাইবেন। ব্যস্ত সময় পার করবেন তাঁরা।
নির্বাচনী আইনে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগ থেকে সব ধরনের প্রচার বন্ধ থাকার বিধান রয়েছে।
ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পর কোনো ব্যক্তি, প্রার্থী বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কেউ নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ আয়োজন বা এতে যোগ দিতে পারবেন না।
সে অনুযায়ী, ২৮ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি বিকাল ৪টা পর্যন্ত যে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল এবং শোভাযাত্রা করা যাবে না।
সিলেটে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ কে আব্দুল মোমেনের ও বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথ সভা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ছাড়াও সিলেট- ১ আসনের প্রার্থীরা হলেন মাওলানা নাসির উদ্দিন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইউসুফ আহমদ ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), উজ্জল রায় বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, প্রনব জ্যোতি পাল বাসদ, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জাতীয় পার্টি, মুহাম্মদ ফয়জুল হক ইসলামী ঐক্যজোট (আইওজে), মো. আনোয়ার উদ্দিন বোরহানাবাদী বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. রেদওয়ানুল হক চৌধুরী প্রচারনা করছেন।
সিলেটে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ কে আব্দুল মোমেনের নির্বাচনী প্রচারনার শেষ দিন বিকাল ৩টায় কোর্টপয়েন্ট থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত নৌকা প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনী শেষ শোডাউন অনুষ্টিত হবে।
এদিকে বাদ মাগরিব ঐতিহাসিক কোর্টপয়েন্টে ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর ধানের শীষের সমর্থনে শেষ নির্বাচনী গনজমায়েত অনুষ্টিত হবে এতে সিলেট সিটি কর্পোরেশনর ২৭টি ওয়ার্ডের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহবান জানানো হয়েছে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোট নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে এনেছে নির্বাচন কমিশন। দুই দিনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালাট পেপার পাঠিয়েছে ইসি। ব্যালাট পেপার ছাড়া অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে স্টাম্প প্যাড, অফিসিয়িাল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, লাল গালা, অমোচনীয় কালির কলম, হেসিয়ান বড় ব্যাগ, হেসিয়ান ছোট ব্যাগ, চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর, স্ট্যাপলার মেশিন ও স্টাপ পিন ইত্যাদি সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।