জুড়ী প্রতিনিধি :
বিএনপি-জামাত জোটের ৫বছরের শাসনামলে দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটেছিল। সারাদেশে এক সাথে বোমা বিস্ফোরণ, একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, শাহজালালের মাজারে বোমা, মসজিদে, ঈদের জামাতে বোমা হামলা হয়েছিল। বিদ্যুতের নামে কোটি কোটি টাকা লুপাট হয়েছিল। গরীবের হাসপাতাল নামে পরিচিত কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে জঙ্গীবাদ দমন করেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা, কারিগরী শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি পাচ্ছে। গর্ভবতী মায়েরা ভাতা পাচ্ছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশ ও মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। দেশের মানুষ আজ স্বাবলম্বী। দেশ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি, দারিদ্র ও মঙ্গা দুর হয়েছে। বিদ্যুতের আলোয় দেশের মানুষ আলোকিত। দেশের সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবার প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।
কথা গুলো বলেছেন মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী-বড়লেখা) নির্বাচনী এলাকায় মহাজোট মনোনীত আওয়ামী লীগ প্রার্থী হুইপ মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।
তিনি মঙ্গলবার রাত ১০টায় জুড়ী উপজেলার দক্ষিণ জাঙ্গিরাইস্থ এম এ রউফের বাড়িতে এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আগে বলা হত আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে এদেশে মসজিদ বন্ধ হয়ে যাবে, আযানের বদলে উলু ধ্বণী হবে। মাদ্রাসা থাকবেনা। দেশ ভারত হয়ে যাবে। এখন আর সেই অপপ্রচার নেই। কারন দেশের এমন কোন মসজিদ-মাদ্রাসা নেই যেখানে শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়ন করেনি। ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসা গুলোকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। স্বতন্ত্র আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কওমী সনদের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মানুষ এখন অনেক সচেতন। এখন আর অপপ্রচারে মানুষ বিশ্বাস করেনা।
আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড উল্লেখ করে মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেন, আমি পুণরায় নির্বাচিত হলে এ এলাকার নদী ভাঙ্গন রোধ ও রাস্তা পাকাকরণ করা হবে।
স্থানীয় মুরব্বী আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও সাইফুর আলম ফজলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলশান আরা মিলি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি খুরশীদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান, আব্দুল আজিজ।
স্থানীয় বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন এম এ রউফ ও নতুন ভোটার কলেজ ছাত্রী হামিদা আক্তার।