জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন সিলেট-১ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশ তাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, রবিবার থেকে পুলিশ তাকে কয়েক দফায় গ্রেফতারের চেষ্টা করেছে। তবে তার সভা-সমাবেশ ও প্রচারণায় মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করছে। গত দুই দিনে ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মুক্তাদির বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পায়ের তলায় মাটি নেই। নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের একটি তালিকা দেন খন্দকার মুক্তাদির। তার তালিকানুযায়ী ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীরা হলেন- সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন, মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক অলিউর রহমান ড্যানি, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক রোম্মান আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি বেলাল আহমদ, যুবদল নেতা গাজী লিটন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সদস্য মির্জা জাহেদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষ্ণ ঘোষ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাজান আহমদ, কান্দিগাঁও ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান চমক আলীর ছেলে সোহেল আহমদ, ছাত্রদল নেতা জাহেদ আহমদ (২), সুহেব খান, তানজিল আহমদ, ১৬নং ওয়ার্ড জাসাসের সাধারণ সম্পাদক রোমান খান, হাবিবুর রহমান ডালিম, খোরশেদ আলম।
এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরন মাহমুদের নেতৃত্বে বালুচরে বিএনপির কার্যালয়ে হামলায় ছাত্রদল নেতা শাহজাহান গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজমল বখত সাদেক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ প্রমুখ।