বানিয়াচং প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জ ২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) নির্বাচনী আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদ মোবারক ও আজমিরীঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হকের প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল দশটায় প্রার্থীর নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। প্রার্থীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মুজিবুল হোসাইন মারুফ।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের বিনা কারণে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। পরে তাদেরকে গায়েবি মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণার দিন থেকে সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে দুই উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে। নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশি তল্লাশি,পরিবারের সদস্যদের সাথে পুলিশের দুর্ব্যবহার এবং এলাকায় ভীতি সঞ্চার করছে। সেই সাথে গ্রেপ্তার ও অযথা হয়রানি করছে পুলিশ। বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের পথসভায় ছিনিয়ে নেয়া হচ্ছে, মাইক ভাংচুর করা হচ্ছে, করা হচ্ছে চেয়ার টেবিল ভাঙচুর। এ সব ঘটনায় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে তারা।”
বানিয়াচং ও আজমিরীঞ্জ থানার ওসি দলীয় নেতাদের ভূমিকা পালন করছেন দাবি করে মুজিবুল হোসাইন মারুফ লিখিত বক্তব্যে বলেন, “ধানের কোনো প্রচার-প্রচারণায় না যাওয়ার জন্য পুলিশ নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন। তাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগ আমাদের প্রতিপক্ষ নয় পুলিশই আমাদের মূল প্রতিপক্ষ। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এই দুই ওসির প্রত্যাহার দাবি জানাচ্ছি।”
পাশাপাশি এ দুই থানার ওসিদের বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগও দেয়া হয়েছে বলে এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ হোসেন বকুল, ওয়ারিশ উদ্দিন খান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তাসলিম আলম মাহদি, মাওলানা শফিকুর রহমান, মাওলানা আব্দুল জলিল ইউসুফি, লুৎফুর রহমানসহ ২০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।