• ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ আজ বিস্ময় : স্পিকার

bijoy71news
প্রকাশিত অক্টোবর ১৭, ২০১৮

বি৭১নি ডেস্ক : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ আজ বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে অগ্রসরমান বাংলাদেশ। ইতোমধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।’

বুধবার জেনেভায় সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।

স্পিকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল এবং ২০৪১ সালে সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।’

শিরীন শারমিন বলেন, ‘আর্থ সামাজিক সব সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় জনগণ ভোগ করছে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুবিধা। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ অনন্য। সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বও ক্রমবর্ধমান। বর্তমানে সংসদে ৭৩ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। বিরোধী দলের ইতিবাচক ও গঠনমূলক সমালোচনা সংসদকে আরও বেশি কার্যকর করেছে। বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় আস্থা রেখেছে। আর এ কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব চেয়ে বড় দুটি গণতান্ত্রিক সংগঠন সিপিএ ও আইপিইউতে শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৭ দশমিক ৮৬। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন আজ দৃশ্যমান। সেই সঙ্গে ধাবমান তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের সম্পদ।’ তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নব দ্বার উন্মোচনের আহ্বান জানান তিনি।

সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদার, সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান এবং সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে স্পিকার আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুং গংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তারা আইপিইউর ফোরামে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার এবং বাল্যবিবাহ হ্রাস করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া আইপিইউর মাধ্যমে বঞ্চিত জনগোষ্ঠী যাতে উপকৃত হতে পারে সেরূপ ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বি৭১নি/জেএ/বিনিডে