বি৭১নি ডেস্ক ::
জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা ইসরাইল দখলকৃত পূর্ব্ জেরুজালেমের শেখ জারাহ থেকে জোরপূর্বক ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বুধবার শেখ জারাহ থেকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ত্রাণ বিষয়ক এজেন্সির (ইউএনআরডব্লিউএ) কমিশনার জেনারেল ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের এই জোরপূর্বক দখল আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এসব ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা দ্বিতীয়বারের মতো উচ্ছেদের মুখোমুখি হচ্ছেন। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের প্রধান হিসেবে তাদের সহায়তা এবং রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
ফিলিপ্পে লাজজারিনি জানান, আরেকটি মানসিক ট্রমা এবং ক্ষতি থেকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের রক্ষা করাকে তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের বসতি শেখ জারাহতে প্রতিদিন বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে ডজনের বেশি ফিলিস্তিনি পরিবার জোরপূর্বক উচ্ছেদের মুখে বসবাস করছেন। গত মাসে এই প্রতিবাদের জেরেই ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। টানা ১১ দিনব্যাপী ওই যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় অন্তত ২৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়, যাদের মধ্যে অর্ধশতাধিক শিশু। অন্যদিকে, হামাসের ছোড়া রকেটে ইসরাইলের ১৩ জন নিহত হয়।
শেখ জারাহ সফরকালে ইউএনআরডব্লিউএ’র কমিশনার ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, দ্বিতীয়বার উচ্ছেদের শিকার হওয়া আট ফিলিস্তিনি পরিবার কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেটা ব্যাখা করা কঠিন। এসব পরিবারের তিন প্রজন্মই শরণার্থী হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এটা একটা পরাবাস্তবতা।
ফিলিস্তিনের শরণার্থীদের ত্রাণ বিষয়ক এই সংস্থা-ইসরাইলের উচ্ছেদ অভিযান শেষ করতে কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছেন। এ প্রসঙ্গে ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, শেখ জারাহসহ দখলকৃত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং সম্মান রক্ষা করতে তারা কাজ করছেন।জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা ইসরাইল দখলকৃত পূর্ব্ জেরুজালেমের শেখ জারাহ থেকে জোরপূর্বক ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বুধবার শেখ জারাহ থেকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ত্রাণ বিষয়ক এজেন্সির (ইউএনআরডব্লিউএ) কমিশনার জেনারেল ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের এই জোরপূর্বক দখল আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এসব ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা দ্বিতীয়বারের মতো উচ্ছেদের মুখোমুখি হচ্ছেন। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের প্রধান হিসেবে তাদের সহায়তা এবং রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
ফিলিপ্পে লাজজারিনি জানান, আরেকটি মানসিক ট্রমা এবং ক্ষতি থেকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের রক্ষা করাকে তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের বসতি শেখ জারাহতে প্রতিদিন বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে ডজনের বেশি ফিলিস্তিনি পরিবার জোরপূর্বক উচ্ছেদের মুখে বসবাস করছেন। গত মাসে এই প্রতিবাদের জেরেই ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। টানা ১১ দিনব্যাপী ওই যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় অন্তত ২৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়, যাদের মধ্যে অর্ধশতাধিক শিশু। অন্যদিকে, হামাসের ছোড়া রকেটে ইসরাইলের ১৩ জন নিহত হয়।
শেখ জারাহ সফরকালে ইউএনআরডব্লিউএ’র কমিশনার ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, দ্বিতীয়বার উচ্ছেদের শিকার হওয়া আট ফিলিস্তিনি পরিবার কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেটা ব্যাখা করা কঠিন। এসব পরিবারের তিন প্রজন্মই শরণার্থী হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এটা একটা পরাবাস্তবতা।
ফিলিস্তিনের শরণার্থীদের ত্রাণ বিষয়ক এই সংস্থা-ইসরাইলের উচ্ছেদ অভিযান শেষ করতে কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছেন। এ প্রসঙ্গে ফিলিপ্পে লাজজারিনি বলেন, শেখ জারাহসহ দখলকৃত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং সম্মান রক্ষা করতে তারা কাজ করছেন।