• ৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

এবারও বিশেষ ট্রেন নেই সিলেটে

bijoy71news
প্রকাশিত মে ২৬, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঈদে বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের টিকিট যেনো সোনার হরিণ। রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেতে যাত্রীদের জন্য বিশেষ ট্রেন চালু করেছে রেল বিভাগ। চট্রগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ জংশন থেকেও রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। কিন্তু সিলেট থেকে এবারও কোনো বিশেষ ট্রেন নেই বলে জানিয়েছেন, সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার কাজি শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঈদে সিলেট থেকে যাত্রীদের চাপ কম থাকে বিশেষ ট্রেন চালুর প্রয়োজন হয় না। ঈদের আগে টিকিট সংগ্রহের চাপ বাড়লে কোচ সংযোজন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে গত দু’দিন ধরে সিলেট রেলস্টেশনে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। টিকিটের আশায় অনেকে রেলস্টেশনে রাত-দিন পার করেছেন লাইনে দাঁড়িয়ে, অথচ এর উল্টো চিত্র সিলেটে রেলওয়ে স্টেশনে। যাত্রী নেই, টিকিটের চাপও নেই। তবে আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হলে লাইনে ভিড় দেখা যাবে বলে মনে করছেন যাত্রীরা।
২০১৪ সালে সিলেট-ঢাকা রুটে ১৪টি কোচ নিয়ে যাত্রা করেছিল কালনী এক্সপ্রেস। এরপর কোচ কমিয়ে আনা হয় ৪টিতে। ২০১৮ সালের প্রথমদিকে ৮টি কোচ নিয়ে চলাচল করে কালনী। জয়ন্তিকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস মধ্যখানে কমে ১২টি কোচ নিয়ে চলাচল করে। পরে অবশ্য আরো চারটি কোচ যুক্ত করা হয়। পারাবত এক্সপ্রেসে ১৫টি থেকে ৩টি কমিয়ে ১২টি করা হলেও এখন ১৬টি কোচ নিয়ে চলছে। উদয়ন ও পাহাড়িকার যাত্রা শুরু ১৪টি কোচ নিয়ে। বিগত বছরগুলোতে কমিয়ে দেওয়া হয় ৯টি কোচ।
সারা বছরই সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্রগ্রামগামী ট্রেনের টিকিটের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু টিকিট নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে ও ঈদ ছুটিতে টিকিটের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পায়। এ সময় দালালদের দৌড়াত্ম বাড়ে। রেলের কর্মকর্তা কর্মচারিরাও দালালিতে যুক্ত হয়ে পড়েন। যদিও এখন পর্যন্ত সিলেট রেলস্টেশনে এরকম কোনো দৃশ্য চোখে পড়েনি। ২৬ মে থেকে রেলের আগাম টিকিট দেওয়া শুরু হলে ভিড় ও চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন যাত্রীরা।
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার কাজি শহিদুল ইসলাম আরও জানান, ২৬ মে থেকে বাড়তি চাপ থাকলে কোচ সংযোজন করা হবে। বিশেষ কোনো ট্রেন থাকবে না।