• ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৫শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

হাসি ফুটছে হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মুখে

bijoy71news
প্রকাশিত মে ২৬, ২০১৯

বি৭১নি ডেস্ক :
ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই হাসি ফুটতে শুরু করেছে হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে। এতদিন তারা ছিলেন পণ্য সংগ্রহে ব্যস্ত। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে তারা পণ্য নিয়ে এসেছেন দোকানে। পাইকারী এবং খুচরা বিক্রি অন্য দিনের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। তবে পাইকারী বিক্রি ভাল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
শনবিার (২৫ মে) বিকালে লালদিঘীরপার হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে বিভিন্ন দোকানে ক্রেতারা ভিড় করছেনে । দেশী বিদেশী জুতা, বেল্ট, থ্রী পিছ, থান কাপড়, ছোট বাচ্চাদের ড্রেস, শাড়ি, বোরকা সবধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে । এখনো বেশ কিছু দোকানে পাইকারীভাবে শার্ট, প্যান্ট, টি শার্ট বিক্রি করতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান তাদের বিক্রি অন্যদিনের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান, তাদের এখানে সকলধরনরে পণ্য পাওয়া যায় খুচরা ও পাইকারী মূল্যে। ছোট বড় সকলের জন্য দেশী বিদেশী জুতা, র্শাট-প্যান্ট, বেল্ট, থ্রী-পিছ, থান কাপড়, ছোট বাচ্চাদরে ড্রেস, শাড়ি, বোরকা সকল পন্যের সমাহার রয়েছে হকার্স মার্কেটে । বিশেষ করে শেষের দশ রমজানে তাদের বিক্রি বেশী হয়। ওই সময় মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের লোকদের কেনাকাটা বাড়ে।
মেসার্স নুরুল এন্ড নজরুল সু স্টোর, তানজিনা সু স্টোর, আব্দুল মতলিব সু স্টোর, ফাইয়াজ ফ্যাশন, এক্সপোর্ট কর্ণার, সিয়াম কালেকশন, মায়ের দোয়া ক্লথ স্টোর, মুনিম শাড়ি ঘর, নরসিংদী ইউসুফ এন্ড ব্রার্দাস , আব্দুল্লা ফ্যাশন, হযরত শাহজালাল (র.) ওড়না এন্ড বোরকা হাউজের ব্যবসায়ীরা জানান তাদের ব্যবসা মোটামোটি ভালো হচ্ছে ।
মেসার্স নুরুল এন্ড নজরুল সু স্টোর এর পরিচালক নুরুল ইসলাম তালুকদার জানান, প্রত্যকে রমজান মাসের প্রথমদিকে ব্যবসা ভালো না হলেও রমজানের শেষের দিকে ব্যবসা ভাল হয়। তিনি আরও জানান ইতিমধ্যে ব্যবসা জমতে শুরু করেছে। আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে অতিতের চেয়ে এবার ব্যবসা ভাল হবে।
বোরকা হাউজের পরিচালক মো. ইসমাইল জানান, বভিন্নি ধরনের বোরকার চাহদিা একটু বেশী আছে নারীদের। বিশেষ করে রমজান মাসে তারাবির নামাজের পর ক্রেতারা বেশী আসেন। রমজানের শেষ দিকে দিনে ও রাত্রে ক্রেতাদের ভিড় বেশী থাকে হকার্স মার্কেটে। এবারও থাকবে এমনটাই আশাবাদী বলে জানান মো. ইসমাইল ।