বি৭১নি ডেস্ক :
যানজট নিয়ন্ত্রণে হকার উচ্ছেদ আর সড়ক প্রশস্থ করা নিয়ে গলদগর্ম মেয়র আরিফ। রাস্তা প্রশস্থকরণের জন্য নগরীর অনেকেই ছেড়ে দিচ্ছেন মূল্যবান জায়গা। কিন্তু কতিপয় ব্যবসায়ীদের কারণে রাস্তা প্রশস্থকরনের এই সুফল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নগরবাসী। রাস্তার পাশের ব্যবসায়ীরা ফুটপাত ও সড়কের একাংশ দখল করে তাদের মালপত্র রাখায় যানজট সৃষ্টির পাশাপাশি দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারীদেরও।
সিলেটের ব্যস্ততম সুবিদবাজার থেকে পাঠানটুলাগামী সড়কে প্রতিদিন যাতায়াত করে সহস্রাধিক পরিবহন। প্রয়োজনের তুলনায় ছোট এই সড়কের দুপাশ সিটি কর্পোরেশন প্রশস্থ করলেও এর সুফল ভোগ করতে পারছেন না নগরবাসী। উল্টো দোকানদার আর হকারদের কারণে সৃষ্ট যানজটে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।
সুবিদবাজার পয়েন্ট থেকে পাঠানটুলাগামী রাস্তার প্রায় অর্ধেকই দখলে নিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মুদি দোকান থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানের ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করেন এই রাস্তা। আর এসব দোকানদারের সাথে যুক্ত হয়েছে ফল-সবজি বিক্রেতা হকাররা। এভাবেই রাস্তার উপর মালামাল রেখে দিনের পর দিন ব্যবসা করে যাচ্ছে তারা। এদের অপসারণে প্রশাসন কিংবা সিটি কর্পোরেশনের নেই কোন উদ্যোগ।
এতে করে প্রতিনিয়তই যানজটের মুখে পড়ছেন এই সড়কে যাতায়াতকারী নাগরিকরা। এই সড়কেই অবস্থান সিলেটের সুনামধন্য একাধিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের। স্কুলগুলো ছূটি হলে যানজটের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
সেই সাথে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি। এই রাস্তা দখলের ফলে সৃষ্ট যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হয় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এবং হাসপাতালের রোগীদের।
স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ডের সাগরদীঘির পাড় এলাকার রুমেল আহমদ বলেন, সুবিদবাজারের রাস্তা ব্যবসায়ী আর হকারদের দখলে থাকায় এই যানজটের প্রভাব গলির ভেতরেও পড়ে। বড় বড় গাড়ি যানজটের কারণে ছোট গলি দিয়ে ঢুকার চেস্টা করে। এতে গলির ভেতরেও যানজটের সৃষ্টি হয়।