বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ১৫ তম প্রয়ান দিবস আজ। ২০০৯ সালের এই দিনে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পারি জমান লোকগানের এই সাধক।
বাউল সম্রাটের মৃত্যু বার্ষিকী পালনে সরকারি কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও পারিবারিক ও ঘরোয়া আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাউল এই মহাজনকে স্মরণ করছেন তাঁর ভক্ত অনুরাগীরা।
১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানদল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম।
পারিবারি অভাব অনটনে পড়ালেখার সুুযোগ হয়নি তার। প্রাতিষ্ঠানি শিক্ষায় শিক্ষিত না হলেও করিম ছিলেন স্বশিক্ষিত ।
সুখ দুঃখ প্রেম ভালোবাসাকে আপন মহিমায় তুলে ধরেছেন তার গানে। ভাষা আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন স্বাধীকার আন্দোলনে বাউল সম্রাটের গান অনুপ্রেণা যুগিয়েছে বাঙ্গালিদের।
মরমী গান আর হৃদয় ছোঁয়া সুরে রাখাল বালক থেকে বাউল সম্রাটের আসনের সমাদৃত করেছে। পেয়েছেন একশে পদক।
২০০৯ সালের ১২ সেপ্টম্বর পরলোকগমন করেন বাউল সম্রাট৷
বাউল সম্রাটের মৃত্যুবার্ষিতীতে জেলা প্রশাসন বা শিল্পকলা একাডেমির কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থালেও পারিবারিক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই সুর সাধককে স্মরণ করছে তার ভক্ত অনুরাগীরা।
করিম সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারে সহযোগিতা চাইলেন বাউলপুত্র।
বাউল সম্রাট আব্দুল করিমের ছেলে বাউল শাহ নূরজালাল করিম বলেন, আমার বাবা সারাজীবন দেশের মানুষ, মাটির জন্য গান লিখে গেছেন। তার গানে শোষণ বঞ্চিত মানুষের কথা লিখেছেন। অভাব অনটন দিন যাপন করলেও আদর্শ থেকে বিচিত হননি তিনি। বাবার গান দেশ ও বিশ্ববাসীর সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষা করা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাঁর সৃষ্টি রক্ষায় সরকারে এগিয়ে আসতে হবে।
বাউল সম্রাট আব্দুল করিম তার গানের মধ্যদিয়ে অমর হয়ে থাকবেন বলে মনে করেন সংস্কৃতি প্রেমীরা