নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে টানা ১১ দিন পর রোববার খুলেছে শপিং মল ও দোকানপাট। দোকানপাট খোলার প্রথম দিনেই নগরীতে ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। এ ভিড় সোমবার আরও বেড়েছে।
রোববার দুপুরের দিকে তুলনামূলক মানুষের ভিড় কিংবা যানজট কম দেখা গেলেও গতকাল সোমবার দুপুর থেকে নগরে মানুষের জটলা বেড়েছে।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ক্রেতা নেই।
এদিকে, সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সিলেটে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ৫ জনের মধ্যে সিলেটের ৪ জন ও সুনামগঞ্জের ১ জন রয়েছেন।
এ সময়ে বিভাগে আরও ৮৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন ১৬৬ জন রোগী। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৭২ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা।
এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার ২ জন, হবিগঞ্জ ৫ জন ও মৌলভীবাজারের ৬ জন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া।
সোমবার দুপুরে সরেজমিনে সিলেট নগরীর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে বেড়েছে ছোটখাটো যানবাহন, অটোরিকশা-প্রাইভেট কার। সেই সাথে মানুষের চলাচল। সব মিলে নগরীর অধিকাংশ জায়গায় যানজট লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে নগরীর ব্যস্ততম এলাকা জিন্দাবাজার, কোর্ট পয়েন্ট এবং চৌহাট্টায় গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
এসব যানজট সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশকেও হিমসিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে অধিকাংশ শপিং সেন্টার জিন্দাবাজার এলাকার আশপাশ হওয়ায় যানজট জিন্দাবাজারেই বেশি লেগে থাকতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, নগরীর বিভিন্ন বিপণি বিতান ঘুরেও কিছুটা মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। রোববার প্রথম দিন অনেকটা ক্রেতা শূন্য শপিং মল গেলেও গতকাল ক্রেতাদের সংখ্যা বেড়েছে। গণপরিবহন চালু হলে সময়ে সময়ে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের। তবে করোনার লকডাউনে গেলো বছরের মতো এবারও কিছুটা মানুষের মাঝে কিছুটা অভাব থাকায় ঈদের কেনাকাটা খুব বেশি একটি জমবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি নির্দেশনা দেওয়া হলে নগরীর অধিকাংশ শপিং সেন্টারে ডিস ইনফেক্টেড টানেল, প্রবেশ পথের মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ক্রেতা বিক্রেতা সকলের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মার্কেট কর্তৃপক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দেখা গেছে।