নিজস্ব প্রতিবেদক ::
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাউসী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সরকারি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ অবৈধভাবে কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার ৩ দিন পেরিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ এখনও এ ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করছে। ফলে এ নিয়ে গোটা এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষয়টি জেনেও উপজেলা প্রশাসন কেন রহস্যজনক আচরণ করছেন এ নিয়ে সন্দিহান এলাকার সর্বস্থরের জনসাধারণ।
অনুমতি ছাড়া অবৈভাবে গাছ কর্তন করায় অভিযোগ এনে বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুনু মিয়া বরাবর বৃহস্পতিবার বিকালে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, একই এলাকার আফজাল আলী।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার সদর ৮নং দশঘর ইউনিয়নের অন্তর্গত বাউসী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়, উক্ত বিদ্যালয়ে বেশ কিছু গাছ বর্তমান এডহক কমিটি তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করেছেন। তাই এর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবী জানান তিনি।
এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা সরজমিনে গাছ কর্তনের সত্যতা পান। ঘটনার ৩ দিন পরও সরকারি গাছ কর্তনের ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন ভূমিকা না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ উপজেলা বিদ্যালয় ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি মতিন মিয়ার মোবাইলে বারবার কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
অভিযোগের বিষয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছেন। সাথে সাথে অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য উপজেলা সহকারি ভূমি কামরুজ্জমানকে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে অভিযোগ পেছেন বলে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া। তবে দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের গাছ কর্তনে ব্যাপারে তিনি অবগত নন। যদিও স্থানীয়ভাবে তিনি শুনেছেন বলে জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজন বাবুর মোবাইলে কল দিলে গাছ কাটার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গাছ কাটার আগে আমার রেজি. করি এবং বিশ্বনাথ নির্বাহী কর্মকার্তাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়। তাদের পরামর্শে গাছ বিক্রির টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে রাখা হয়েছে এবং গাছ কাটার পর উপজেলাকে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান।