নিজস্ব প্রতিবেদক ::
রাজনীতিতে কোনঠাসা হওয়ার পর এবার মোটরসাইকেল চুরির খাতায় নাম লিখিছেন সুজন মিয়া। খুব অল্প সময়েই মোটরসাইকেল চুরিতে হয়ে উঠেন পারদর্শী। অল্প সময়ে মোটরসাইকেল চুরিতে সুজন মিয়ার পারদর্শীতা দেখে হতবাক পুলিশের অভিযানকারী দল। সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি ভবনের নিচ থেকে চুরি হওয়া ইয়ামা এফ জেড ভার্সন-৩ মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৫ মার্চ) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এরআগে বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) রাতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ একটি দল আখালিয়া নয়াবাজার এলাকা থেকে চোরাই মোটরসাইকেলসহ সুজনকে গ্রেফতার করে। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় বিপ্লব তাকুলদার বাদি হয়ে কেতোয়ালি থানায় মামলা নং-৮ দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত সুজন মিয়া কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি গ্রামে হলেও বর্তমানে জালালাবাদ থানার বড়গুল এলাকায় বসবাস করছেন তিনি। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, গত ১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি ভবনের সিড়ির নিচে মোটরসাইকেল রেখে কাজে চলে যান বিল্পব তালুকদার নামে এক ব্যক্তি। তিনি সিলেট মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে কর্মরত। বিকালে কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরে দেখেন মোটরসাইকেল যথাস্থানে নেই। এ ঘটনায় বিপ্লব কোতোয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে চোরকে শনাক্ত করে অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযান চালিয়ে সুজনকে গ্রেফতার ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ বলেন, সিসি টিভি ফুটেজ দেখে চোর শনাক্ত করে মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত সুজন মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সুজনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে বিএনপি নেতা কী-না জানি না।