• ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

গত ৪৭ বছরে এরকম শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখিনি : সেনাপ্রধান

bijoy71news
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮

বি৭১নি ডেস্ক :
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে আমরা দেখেছি, নির্বাচনের অত্যন্ত চমৎকার ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।
আজ শনিবার রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা বলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।
আগামীকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাসদস্যরাও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করছে।
নির্বাচনের আগের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘সেনাপ্রধান হিসেবে বলছি, আমিও এই দেশের নাগরিক। গত এক সপ্তাহ সারা দেশ ঘুরে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, বিগত ৪৭ বছরে এরকম শান্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আমি দেখিনি। বিগত নির্বাচনগুলোতে কিছু না কিছু সহিংসতা হয়েছে। এবারও সহিংসতা হয়েছে, তবে সে সংখ্যা খুবই কম।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘সবাই আশ্বস্ত করেছে, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রকার হুমকি আছে কি না-সে জিনিসটা আমরা জানার চেষ্টা করেছি। যাতে করে সেনাবাহিনী দিয়ে সে ঝুঁকি, বিপদ-ভয়ের আশঙ্কা কমিয়ে নিয়ে আসতে পারি। কিন্তু সবাই আমাদের আশ্বস্ত করেছে।’
জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘কিছু কিছু এলাকা যেমন, সীমান্ত এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী টহল বৃদ্ধি করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। যাতে সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’
সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, ‘এ ছাড়া সারা দেশের সংখ্যালঘু এলাকাগুলোয় সেনাবাহিনী গিয়ে আশ্বস্ত করছে, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে এবং যার যার ভোট প্রদান করতে পারে। এ জন্য সেসব এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী টহল আজকেও যাচ্ছে, নির্বাচনের পরেও যাবে।’
জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, যখনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যারা হেরে যায়, তারা সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ করে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক সতর্ক থাকব।’
সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার, সিভিল প্রশাসন আমরা সবাই একটি টিম হিসেবে একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবো। কোনো ধর্মের প্রতি যেন কোনো সংঘাত না হয়, কেউ যেন ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সেদিকে আমরা অত্যন্ত সতর্ক থাকব।’
জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘আজকে থেকে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। আমরা যেন জনগণের মধ্যে একটা ‍আস্থা আনতে পারি।’
সবশেষে সুন্দর একটা নির্বাচন যেন সম্পন্ন হয় সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেনাপ্রধান।