পবিত্র রমজান মাসে সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকেলে পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সেহরী ও ইফতারের সময় সাইরেন বাজানো ব্যবস্থা সচল রাখা এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনরে উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় এমন হুশিয়ারি দেন মেয়র।
মেয়র বলেন, পবিত্র মাহে রমজান মাসকে সামনে রেখে কম মুনাফায় দ্রব্যমুল্য বিক্রয়, দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান। খোলা অবস্থায় ও নোংরা পরিবেশে যাতে ইফতার সামগ্রী বিক্রয় না করার ব্যবস্থা গ্রহণ সহ অসুস্থ গরু-ছাগল জবাই না করা ও নির্ধারিত মূল্যে ভেজাল মুক্ত মাংস বিক্রয় করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীগণকে আহবান জানান।
তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাশাপশি সিসিকের অভিযানী দল সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে। কেউ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ছিনতাই প্রতিরোধ যানজট নিরসন রাস্তায় যত্রতত্রভাবে ভ্যানগাড়ি না রাখতে পুলিশ বিভাগ, র্যাব ও ট্রাফিক বিভাগকে এবং সেহরী ও ইফতারের নির্ধারিত সময়ে সাইরেন বাজানো ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স সিলেট কে অনুরোধ জানান।
এছাড়া তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা বিশেষ করে তারাবীহ, সেহেরী ও ইফতারের সময় বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং যাতে না হয় এবং কোথাও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার নষ্ট হলে তা পুন:স্থপনের পূব প্রস্তুত্তির ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিভাগকে অনুরোধ জানান।
সভায় পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে গরুর মাংস কেজি ৭৫০ টাকা, মহিষের মাংস ৬৫০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ও ভেড়ার মাংস ৯৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এসময় সিলেটের ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে নগরীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে শুধু রমজান মাসের জন্য ন্যায্য নিত্যপ্রয়োজনীয় অস্থায়ী বাজার বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি তাহমিন আহমদসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, কর্মকর্তাবৃন্দ।