• ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

সিলেটে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, ইফতার ও সেহরীতে ভোগান্তি

bijoy71news
প্রকাশিত এপ্রিল ৬, ২০২৪
সিলেটে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, ইফতার ও সেহরীতে ভোগান্তি

সিলেট মহানগরীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দিন-রাতে আট থেকে দশবার বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে নগরবাসীকে। সেহরি ও ইফতারের সময় লোডশেডিং হওয়ার কারণে দুর্ভোগে রয়েছেন রোজাদাররাও। সেইসঙ্গে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনকে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ চাহিদার অর্ধেক হওয়ায় এমন লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যেও বাড়ছে ক্ষোভ। বিদ্যুতের দাবিতে মঙ্গলবার রাতে সড়ক অবরোধ করেন ওসমানীনগরের বাসিন্দারা। এর আগের রাতে দক্ষিণ সুরমায় পিডিবির অফিসে গিয়ে কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতের ঘটনাও ঘটেছে।

নগরীর জিন্দাবাজারের ব্ল–ওয়াটার শপিং সিটির ব্যবস্থাপক মলয় দত্ত মিঠু বলেন, সারা বছরে এই সময়ে (ঈদের আগে) ভালো ব্যবসা হয়। এবার লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসার অবস্থা খারাপ। দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। রাতের অবস্থা তো আরও করুণ। জেনারেটর দিয়ে মার্কেটের সব এসি-লিফট চালানো সম্ভব হয় না।

যতরপুর এলাকার গৃহিণী রোখসানা খানম বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে রান্নাবান্না করার কোনো উপায় নেই। একে তো গরম, তার ওপর সারাদিনই বিদ্যুৎ থাকে না। গরম আরও বাড়লে যে কী অবস্থা হবে, এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. জারজিসুর রহমান রনি জানান, আমাদের চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে তাই এই লোডশেডিং। আমরা যতটুকু বিদ্যুৎ পাচ্ছি তা সব বিতরণ বিভাগকে সমানভাবে ভাগ করে দিচ্ছি। আমাদের অন্য কোনো সমস্যা নেই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সিলেটে গড়ে প্রতিদিন ৪০ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ মেগাওয়াট। আর সরবরাহ ৬০-৭০ মেগাওয়াট।