বি৭১নি ডেস্ক :
যে জাতি রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে, সেই দেশকে কেউ যদি অসম্মান করে তাহলে তা কষ্টের কারণ বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে কেউ কখনো দাবায়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না।
আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
এর আগে ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। গৌরবময় ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না। বাংলাদেশকে দেখা হতো একটি দুর্ভিক্ষপ্রবণ দেশ হিসেবে। যে জাতি রক্তের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে সেই দেশকে কেউ যদি অসম্মান করে তাহলে তা কষ্টের কারণ। সেই থেকে আমরা যাতে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে থাকতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। বর্তমানে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি স্থান করে নিয়েছে। এখন আর বাংলাদেশকে কেউ দুর্ভিক্ষের চোখে দেখে না। আজ বাংলাদেশকে মানুষ সম্মানের চোখে দেখে। এটাই আমার সফলতা।’
স্বাধীনতার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সারা দেশের মানুষ দিবসটি যেন সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছে। যার কারণে জনগণের ভোটে আমরা আবারও ক্ষমতায় এসেছি। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো। বাংলাদেশকে কেউ কখনো দাবায়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না।’
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এ অর্থবছরে আট ভাগ অর্জন করতে যাচ্ছি জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার বাংলাদেশ। আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধি এ অর্থবছরে আট ভাগ অর্জন করতে যাচ্ছি। আমাদের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার অর্জন করতে যাচ্ছি।’
এ ছাড়া ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে যেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় সেটার জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।