• ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ইসি-সরকার মিলে ভোট বানচালের পাঁয়তারা করছে

bijoy71news
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮

বি৭১নি ডেস্ক :
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) মিলে বানচালের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সারা দেশে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে ভোট নিয়ে তারা কি করবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদাসহ অন্য কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খানসহ ১০ নেতা অংশ নেন।
ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের ওপর হামলা, ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, মিথ্যা গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তারের অভিযোগ নিয়ে ইসিতে গিয়েছিলেন ড. কামালের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি। তবে বিষয়গুলো সিইসি গুরুত্ব দেয়নি বলে মনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক শেষ না করে বের হয়ে এসেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যে গ্রেপ্তার, আক্রমণ, আহত করা হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে এবং নির্বাচনের পরিবেশ যে সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট করা হচ্ছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে তাকে জানাতে এসেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কাছ থেকে আমরা সেই ধরনের কোনো আচরণ পাইনি যে তিনি এটাতে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ’
নির্বাচন এরই মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এবং সরকার যৌথভাবে এই নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। এখন জনগণ সিদ্ধান্ত নেবেন তারা পরবর্তীতে কি করবেন। ’
ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ওপর হামলায় নানা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এই নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু হবে। কতটুকু অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে এ প্রশ্ন ইতিমধ্যেই জাতির সামনে এসেছে। ’
নির্বাচনের আর মাত্র তিন দিন বাকি উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘এই তিন দিনেও যদি গ্রেপ্তার, অত্যাচার, নির্যাতন যদি বন্ধ না হয়। আহত ও আক্রমণ করা বন্ধ না হয়, তাহলে ভোটাররা কি করে ভোট দিতে যাবে। এটা সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আজকে ঢাকা শহরে তাকালে মনে হয় না যে কোনো নির্বাচন হচ্ছে। এখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আছে বলেই তো মনে হয় না। নির্বাচনকে ঠিক সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’