নিজস্ব প্রতিনিধি
তাঁর মনোনয়ন পাওয়াই অনিশ্চিত ছিলো। এবার দল থেকে তিনি মনোনয়নর নাও পেতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিলো। দলের অনেকেও বিরুদ্ধে ছিলেন। তবে সব গুঞ্জন ছাপিয়ে অবশেষে সিলেট-৩ আসনে আবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস।
আওয়ামী লীগ থেকে কয়েস মনোয়ন পেলেও এখনো চুড়ান্ত হয়নি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি কে?
এই আসনে বিএনপি থেকে চারজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে বিএনপি নেতাকর্মীরাও পড়েছেন বিপাকে। কে পাবেন দলের চুড়ান্ত মনোনয়ন তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা।
দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সাংসদ শফি আহমদ চৌধুরী, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ হককে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই চারজনই ২৮ নভেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বিএনপির এই প্রার্থী জটের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। দ্রুত একক প্রার্থী চুড়ান্তের দাবি তাদের।
সিলেট জেলা বিএনপির সাংঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, সিলেট-৩ আসনের জন্য ৪ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তবে কোন আসনে এখনও চুড়ান্তভাবে কাউকে একক মনোনয়ন দেয়া হয়নি। নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে দ্রুতই একক প্রার্থী চুড়ান্ত করার দাবি তাঁর।
আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন একক প্রার্থী চুড়ান্ত হতে পারে বলে জানান জামাল।
সিলেট -৩ আসনের মোট ভোটার সংখা ৩ লক্ষ ২৩হাজার ৩৯৬ জন।
এর মধ্যে দক্ষিণ সুরমায় ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৭০ হাজার ২৯১ জন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৭২হাজার ৬৯২ ও বালাগঞ্জ উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৮০হাজার ৪৩১জন।