• ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারীর গাড়িতে হামলা

bijoy71news
প্রকাশিত জানুয়ারি ৯, ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারীর গাড়িতে হামলা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী এম এ হাসেম রাজুর গাড়ি ভাঙচুর ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া বাসস্ট্যান্ডের ভাঙ্গা সেতু এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি এম এ হাসেম রাজু চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে রয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউনিয়ন যুবদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে পুরানগড়ে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজন ছিল। ওই মাহফিলে অংশগ্রহণ শেষে এম এ হাসেম রাজুসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা চন্দনাইশ উপজেলায় ফিরছিলেন। রাত ১১টার দিকে তাঁদের মাইক্রোবাসটি বাজালিয়া বাসস্ট্যান্ডের ভাঙ্গা সেতু এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় মাইক্রোবাসটি ভাঙচুর করা হয়। কয়েকটি গুলিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

এম এ হাসেম রাজু বলেন, দোয়া মাহফিল শেষে চন্দনাইশের দিকে ফিরছিলাম। বাজালিয়ার ভাঙ্গা সেতু এলাকায় হঠাৎ স্থানীয় এলডিপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এ সময় পাশে চারটি গুলির শব্দও শোনা গেছে। এ ব্যাপারে থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র বলেছে, নির্বাচনী জোট গঠন করার কারণে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রার্থী দেয়নি। এই আসনটি জোটের সঙ্গী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক ওমর ফারুক এলডিপির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কর্নেল অলি আহমদের বড় ছেলে।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, ‘ওই ঘটনা সম্পর্কে আমার কোনো কিছুই জানা নেই।’

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মন্জুরুল হক বলেন, উপজেলার বাজালিয়া এলাকায় বিএনপির নেতা এম এ হাসেম রাজুর গাড়িতে হামলার বিষয়টি জানানোর জন্য বৃহস্পতিবার রাতে দলের নেতা-কর্মীরা থানায় এসেছিলেন। তবে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।