বি৭১নি ডেস্ক : টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তারা হলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী মতিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর তারা আর জাতীয় নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন উল্লেখ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আগামীকাল’ই (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।
বুধবার (৭ নভেম্বর) সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সম্মিলিত জাতীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তফসিল পেছানোর দাবির মধ্যে ইসি তার পূর্ব ঘোষিত তারিখেই তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানালো।
জোট নেতাদের স্বাগত জানিয়ে সিইসি বলেন, আপনারা জানেন, আমরা এর আগেও সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি, কাল (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এখানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উপস্থিত আছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আশা করি একটি ফলপ্রসু আলোচনা হবে।
এরপর সচিব সবাইকে তার পরিচিতি দিয়ে বক্তব্য রাখার অনুরোধ জানান।
বৈঠকে জাপার কো চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এমএ সাত্তার, জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহেদুর রহমান টেপা, মুজিবুল হক চুন্নু, সুনীল শুভ রায়, এসএম ফয়সল চিশতী, আব্দুস সবুর আসুদ, মশিউর রহমান রাঙ্গা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ইসলামী ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এমএ মোমেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, জাতয়ী ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক এবং চেয়ারম্যান বিএনএ সেকেন্দার আলী মনি উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া চার নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ৮ নভেম্বর তফসিল দিয়ে ২০ ডিসেম্বরের দিকে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানা গেছে।
বি৭১নি/জেএ/বিনিডে