• ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১লা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৬শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে গিয়ে যুবক নিহত : সিলেট কদমতলি থেকে ‘খু নি’ গ্রেফতার

bijoy71news
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে গিয়ে যুবক নিহত : সিলেট কদমতলি থেকে ‘খু নি’ গ্রেফতার

সিলেটের কানাইঘাটে গত ২৮ জুন রাতে প্রতিপক্ষের হাত থেকে ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে ছুরিকাঘাতে খুন গিয়াস উদ্দিন (৩৩)। এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইব্রাহিম ওরফে ইমন আহমদ (৩১)-কে সিলেট কদমতলি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামি ইব্রাহিম কানাইঘাট উপজেলার সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের শফিকুল হকের ছেলে। আর খুন হওয়া গিয়াস উদ্দিন উপজেলার বাউরভাগ ৪র্থ খন্ড গ্রামের হবিবুর রহমানের ছেলে।

জেলার সহকারি পুলিশ সুপার (মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা) মো. সম্রাট তালুকদার জানান, উপজেলার বাউরভাগ ৪র্থ খন্ড গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে স্থানীয় বড়বন্দ বাজারের ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন (৫০) গত ২৮ জুন রাত দেড়টার দিকে বাজার থেকে গিয়াস উদ্দিনকে সাথে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে শাহাব উদ্দিনকে একা রেখে গিয়াস উদ্দিন তার বাড়ির পথ ধরেন। কিছু সময়ের মধ্যে শাহাবুদ্দিন তার বাড়ির সামনে যাওয়ামাত্র প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। এসময় তার চিৎকারে গিয়াস উদ্দিন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা গিয়াসকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা গিয়াসকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার নিহতের বড় ভাই রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় রবিবার গ্রেফতার হওয়া ইমনসহ উপজেলার সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের ফরিদ আহমদের ছেলে নেওয়াজ শরীফ (৩২) ও সোনা মিয়ার ছেলে জামাল আহমদকে (২৩) আসামি করা হয়।

এদিকে, ঘটনার পরদিন নেওয়াজ শরীফ পুলিশের হাতে আটক হলেও এতদিন আসামি ইমন ও জামাল পলাতক ছিলেন। অবশেষে রবিবার ইমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, হত্যা, চুরি, ছিনতাই ও মারামারির ঘটনায় ইমনের বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।