
বাংলাদেশের প্রথম নারী সাইক্লিস্টস হিসেবে ভারতের ছয়টি মাউন্টেন্ট পাস এর সামিটে পৌঁছানোর কৃতিত্ব অর্জন করলেন খুলনার মেয়ে জিনিয়া তাবাস্সুম। এইগুলো হলো রোথাং পাস, বারালাচা পাস, নাকিলা পাস, লাচুংলা পাস, তাংলাংলা পাস এবং বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু যানবাহন চলাচলের রাস্তা খারদুংলা পাস।
ঢাকা ভিত্তিক সাইক্লিং গ্রূপ হেমন্ত রাইডারর্স এর হয়ে তিনি শিমলা থেকে তার সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন ১০ আগস্ট। মাঝে একদিন বিশ্রাম ও একদিন বিশেষ অনুমতিসহ ১৩ দিন লাগে তার এই সাইকেল এক্সপেডিশন (যাত্রা) শেষ করতে।
তার সাথে ছিলেন হেমন্ত রাইডারর্স এর আরেক সদস্য মোহাম্মদ হেদায়েতুল হাসান ফিলিপ। মানালি থেকে তাদের সাথে এরউইন নামের সুইজারল্যান্ডের এর সাইক্লিস্টস যোগ দেন।
এর আগে তাবাস্সুম বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ, দর্শনা থেকে আখাউড়া, হালুয়াঘাট থেকে কুয়াকাটা এবং ভোমরা থেকে তামাবিল এই ক্রস কান্ট্রিগুলো সম্পন্ন করেন। তিনটি পার্বত্য জেলাতেও সাইকেল চালিয়েছেন তিনি। এছাড়াও দলগতভাবে কখনো একা একাই অনেক রাইড দিয়েছেন তিনি।
দেশের প্রথম নারী সাইক্লিস্টস হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু যানবাহন চলাচলের রাস্তা খারদুংলা পাস সামিটে পৌঁছানোর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তাবাস্সুম বলেন, ‘সাইকেলে না গেলে মানালি থেকে খারদুংলা পর্যন্ত প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপ উপভোগ করা সম্ভব না। এই রাস্তায় কিছু জায়গায় পাহাড় ধস, রাস্তায় হঠাৎ বন্যা স্বাভাবিক বিষয়। তাই সতর্কতার সহিত চলাচল করতে হয়।’
হেদায়েতুল হাসান ফিলিপ বলেন, ‘প্রথম দুই দিন পাহাড় বেয়ে সাইকেল চালাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিলো। পরে তা ঠিক হয়ে গিয়েছিলো। ঠাণ্ডা, তাঁবুতে থাকা এবং খাবার নিয়ে সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠে এক্সপেডিশনটি সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে।’