• ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

লোকসভা নির্বাচনে দার্জিলিং কেন্দ্রে রণক্ষেত্র

bijoy71news
প্রকাশিত এপ্রিল ১৮, ২০১৯

বি৭১নি ডেস্ক :
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের শুরুতেই উত্তেজনা চলছে দার্জিলিং কেন্দ্রের চোপড়ায়। অভিযোগ উঠেছে, আজ বৃহস্পতিবার ওই কেন্দ্রের একাধিক বুথের দখল নিয়েছে বহিরাগত দুষ্কৃতকারীরা। ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি মারধরও করেছে তারা। এ সময় মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় একটি বেসরকারি সংবাদ চ্যানেলের সাংবাদিকের।
দুষ্কৃতীদের এলাকাছাড়া করতে লাঠিপেটা করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। অন্যদিকে কেন্দ্রে ভোটারদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা। প্রায় ২০ মিনিট অবরুদ্ধ হয়ে থাকে জাতীয় সড়ক। এক অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, দার্জিলিং কেন্দ্রের চোপড়া বিধানসভা এলাকায় মিদ্দাপাড়ায় ১৫৯ নম্বর বুথে ভোট দিতে গেলে বাধা দেওয়া হয় গ্রামবাসীদের। ভোটার স্লিপ কেড়ে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন গ্রামবাসীরা।
ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে কাছেই দিঘির কলোনির ১৮০ নম্বর বুথে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে ভোটারদের বের হতে দিচ্ছে না বহিরাহত দুষ্কৃতীরা। বেরোনোর চেষ্টা করলেই মারধর করা হচ্ছে ভোটারদের। প্রতিবাদে চোপড়া বাসস্ট্যান্ডে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা। তাদের অভিযোগ, ওই বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য পুলিশ। আর সেই সুযোগে বুথের দখল নিয়েছে তৃণমূলের সন্ত্রাসীরা।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ পর্যবেক্ষক পৌঁছলে তাকে অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না করেই এলাকা ছাড়েন তিনি। এতে বিক্ষোভ আরও বাড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও অবরোধ তোলেননি গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি, ওই বুথে আবার ভোট নিতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের পাশে একটি ঘরে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুইক রেসপন্স টিম। তবে ভোট দিতে না পারায় ফের ভোটগ্রহণের দাবিতে অনড় রয়েছে গ্রামবাসী।
পরে সকাল ১১টার দিকে দুষ্কৃতীদের এলাকাছাড়া করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। জাতীয় সড়কের পাশে একাধিক গুমটি থেকে বের করা হয় বেশ কয়েকজন যুবককে। তল্লাশি করে কিছু না মিললেও তাদের আটক করে বাহিনী। আটক যুবকদের পাল্টা দাবি, দোকানে বসে ছিলেন তারা। এর পরই তুলে দেওয়া হয় অবরোধ। স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।