• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রতিশোধ নিল রাজশাহী

bijoy71news
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০১৯

বি৭১নি ডেস্ক :
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর দুর্দান্ত বোলিংয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে পরাজিত করেছে মেহেদী মিরাজের রাজশাহী কিংস। তারকা ভরপুর কুমিল্লাকে ৩৮ রানে হারিয়েছেন মেহেদী মিরাজরা। ১৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১১ বল বাকি থাকতেই সবকটি উইকেট হারায় কুমিল্লা।
১৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল তামিম ইকবালদের। কিন্তু ম্যাচের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খেই হারাতে থাকেন কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ২৮ রানের ব্যবধানে শেষ পাঁচ উইকেট হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে বিজয়ের ব্যাট থেকে। প্রথম ছয়জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউই ইনিংসকে লম্বা করতে পারেননি।
তামিম ২৫, শামসুর-কায়েস ১৫, জিয়াউর ১২, ডওসন ১৭ ও আফ্রিদি ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরেন। রাজশাহীর হইয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন কামরুল ইসলাম রাব্বী ও মোস্তাফিজুর রহমান। রাব্বী তিন ওভার বল করে মাত্র ১০ রান দিয়ে নেন চার উইকেট। মোস্তাফিজ উইকেট মাত্র একটি পেলেও তিন ওভার ২ বল করে মাত্র ৮ রান। এ ছাড়া কায়েস ও ডোয়েসকেট দুটি করে উইকেট নেন।
এর আগে মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী প্রথম উইকেট হারায় মাত্র ৭ রানের মাথায়। এরপর ১৩ ও ২ রানের মাথায় আরও দুই উইকেট হারিয়ে পড়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। কিন্তু ইভান্স-ডোয়েসকেটের অসাধারণ ব্যাটিং করে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন
প্রথম চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যানই ব্যর্থ। একজন ফিরেন রানের খাতা খোলার আগেই, বাকি দুজন আউট হন পাঁচ ও দুই রান করে। দেশি খেলোয়াড়েরা যখন ব্যর্থ তখন ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যান দুই বিদেশী। তাদের ব্যাটেই শুরুর বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে উল্টো কুমিল্লাকে ভিক্টোরিয়ান্সকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল রাজশাহী কিংস।
দুই বিদেশী ইভান্স ও টেন ডোয়েসকেটের ব্যাটেই রাজশাহীর খেলায় ফেরে। ইভান্স ওপেনিংয়ে নেমে তুলে নিলেন ষষ্ঠ বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি। ডোয়েসকেটও কম যাননি ইভান্সকে যথাযথ সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি নিজে তুলে নেন অর্ধশতক। টসে হেরে আগে ব্যাট করে রাজশাহী কিংস নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে।
ইভান্স ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬১ বলে ৯টি চার ও ৬টি ছয়ের মারে তিনি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পান। ডোয়েসকেট ৪১ বলে ৫৯ রান করেন। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ২টি চার ও ৩টি ছয়ের মারে। শাহরিয়ার নাফিস ৫ ও মার্শাল আইয়ুব ২ রান করেন। মেহেদী মিরাজ সাজঘরে ফিরেন রানের খাতা খোলার আগেই।  কুমিল্লার হয়ে ডওসন দুই উইকেট ও মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট নেন।