গত কয়েক ঘণ্টায় গাজার বেশ কয়েকটি হাসপাতালের কাছে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ফিলিস্তিনি মিডিয়ার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজার সবচেয়ে বড় মেডিকেল কমপ্লেক্স আল-শিফা, পাশাপাশি আল-কুদস এবং ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতাল।
হামাস তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যাতে আল-কুদসের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলার কথা বলা হয়েছে। একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ছবিও প্রকাশ করেছে হামাস। দাবি করেছে যে এটি কুয়েতি হাসপাতালের পিছনে রয়েছে।
বিবিসি ভিডিও এবং ছবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সক্ষম হয়নি।
বিবিসি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নিশ্চিত করতে বলেছে যে তারা ওই এলাকায় লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে কিনা। তারা বলেছেন যে পরীক্ষা করে দেখছি।
এদিকে গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বোমায় বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে ত্রিশটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। সেখানকার নাগরিক প্রতিরক্ষা ইউনিট আল জাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় বলেছে, উপত্যকার আটটি শরণার্থী শিবিরের মধ্যে বৃহত্তম একটি আবাসিক ভবনে রবিবার গভীর রাতে ইসরায়েলি বিমান হামলার পরে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে। কমপক্ষে ২৭ জন আহত হয়েছেন। হাসপাতালগুলো বলছে, তারা আহতদের চিকিৎসা করতে লড়াই করছেন।
উত্তর গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের পরিচালক আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘আমরা ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকটে ভুগছি।’
৭ অক্টোবর ইসরায়েলের মাটিতে হামাসের আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গাজা উপত্যকায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। গাজায় মৃতের সংখ্যা ৪৬৫১ এবং আহতের সংখ্যা ১৪ ২৪৫-এ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে শিবিরে হামলাটি হয়।