• ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক

bijoy71news
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১

বি৭১নি ডেস্ক ::
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
তামিমা এর আগে বিয়ে করেন রাকিব হাসান নামে একজনকে। আর তাকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন- এমন অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছেন রাকিব।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস সাধারণ ডায়রির (জিডি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘নাসিরের বউ তামিমার বিরুদ্ধে জিডি হয়েছে। কাগজে সে রাকিবের রানিং বউ। একটা সন্তান আছে। রাকিবের ফার্নিচার তামিমার কাছে। ডিভোর্স না দিয়েই রাকিবের সঙ্গে চলমান সংসার রেখে নাসিরকে বিয়ে করে তামিমা বলে অভিযোগ করেছেন রাকিব।’
এরই মধ্যে নাসির ও রাকিবের একটি ফোনালাপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে। ফোনালাপে নাসির রাকিবকে ফোন দিয়ে জিডি সংক্রান্ত ঝামেলা করতে মানা করেন।
নাসির রাকিবকে বলেন, ‘জিডি করে আপনি কী পাইতেছেন?’
উত্তরে রাকিব বলেন, ‘আমি কিছুই পাইতেছি না। আপনি তামিমা সম্পর্কে সব কিছু জানেন?’
নাসির বলেন, ‘আমি সব কিছুই জানি।’ রাকিব বলেন, ‘‌কী জানেন আপনি?’
নাসির বলেন, ‘ওর বাচ্চা আছে। ওর বিয়ে হইছে। অলোক নামে বয়ফ্রেন্ড ছিল। আমি ওর সব জানি। আমি জেনে শুনেই বিয়ে করেছি। আপনি কী চান না তামিমা সুখে থাক?’
রাকিব বলেন, ‘তামিমা তো আমায় ক্লিয়ার কোন কাগজ দেয় নাই। তামিমার সাথে যখন আপনার কথা হয়, তখন আমি বললাম, তামিমা নাসির কে? তখন ও বলছে ওর ফ্রেন্ড। আমার বাসায় আসছিল আমার জন্মদিনে। আপনি জেনেশুনে একজনের বউ বিয়ে করে ফেলছেন।’
তামিমা তো আমার সাথে বসবে। রাকিব তোমাকে আমার ভালো লাগে না, আমি চলে যাবো। কাগজ পত্রে ক্লিয়ার হতে হবে না।‘
‘ভবিষ্যতে তো আমিও বিয়ে করবো। আমার একটা ক্লিয়ার পেপারের দরকার আছে না। সেগুলো না করেই আপনায় বিয়ে করলো। আমরা ২০১১ সালে বিয়ে করছি। মেয়ের বয়স ৮ বছর। আপনারা সুখে থাকার কথা বলছেন। আপনি কি চান না আমি আর তামিমা সুখে থাকি? একজনের মেয়ে আছে সংসার আছে এটা জেনেও আপনি এটা কিভাবে করলেন?’
নাসির বলেন, ‘আমি ঘুরাইয়া প্যাচাইয়া বলতে চাই না। আপনি যদি চান তামিমা সুখে থাক তাহলে এটা নিয়ে আর কিছুই কইরেন না। আর যদি তামিমা সুখে থাকতো তাহলে সে আপনার কাছেই থাকতো।‘
রাকিব বলেন, ‘আপনি আমায় ফোন দিয়েছেন কেন? আমি তো আপনায় চিনি না। আমার ফোন দিবে তামিমা। সমস্যা তামিমার না আপনার এখন? আপনি যে বাসায় থাকতেছেন সেই বাসার ফার্নিচারগুলোও আমার।‘
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নাসিরকে ফোন দেয়া হলে প্রথম দিকে তিনি ফোন ধরেন নি। পরবর্তীতে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নাসিরের স্ত্রী পেশায় একজন কেবিন ক্রু। কাজ করেন বিদেশি একটি এয়ারলাইনসে। বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবারের লোকজন এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। নাসিরের বিয়ের অনুষ্ঠানে অনেক ক্রিকেটারও উপস্থিত ছিলেন।