বি৭১নি ডেস্ক ::
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশ টেস্টে এখনো ম্যাচ কোনো ড্র করতে পারেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে সেটা বদলে যাবে বলে মনে হয়েছিল। পূর্ণ শক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই বছর আগে ধবলধোলাই করেছিল বাংলাদেশ। এবার অনেক দুর্বল এক দল নিয়ে এসেছে উইন্ডিজ। নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশ জিতবে এ সিরিজ। এমনটাই তো ভাবছিলেন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মতোই ভাবছিলেন ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। প্রথম টেস্টে কাইল মেয়ার্স ও এনক্রুমা বোনারের অবিশ্বাস্য সে জুটি বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টে হারের কারণ খুঁজতে অমন কোনো রেকর্ড গড়া কিছু দরকার হচ্ছে না। চার দিনই পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। বোর্ড সভাপতির চোখে দুই টেস্টেই বাজে খেলেছে বাংলাদেশ। আর এমন হারের পর ক্রিকেটারদের দিকে হুংকার ছুড়ে দিয়েছেন নাজমুল। বলে দিয়েছেন এভাবে আর চলতে দেওয়া হবে না।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয়সারির দলের বিপক্ষে শক্তিশালী দল নিয়েও ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ। মুমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন দলটির এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে হতাশ দেশের ক্রিকেট বিশ্লেষক, ক্রিকেটপ্রেমীসহ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্তারাও।
ঢাকা টেস্টে ২৩১ রান তাড়ায় ১৭ রানে পরাজয়ের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
রোববার মিরপুর শেরেবাংলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পাপন বলেন, টপঅর্ডারে আমাদের নামকরা যেসব ব্যাটসম্যান আছেন তাদের কী বলে দিতে হবে টেস্টে কীভাবে ব্যাটিং করতে হবে? এগুলো তো বলে দেওয়ার কথা না। আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরাজয়ের পর বেশি কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু আজকে আপনাদের আমি বলছি- এর পরিবর্তন করতে হবে, অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সামগ্রিক যে পরিকল্পনা…একটা ব্যাপারে আমাদের কোনো সন্দেহ নাই যে, আমাদের বোলারদের মধ্যে স্পিনারদের চেয়ে পেসাররা ভালো। সাকিবকে বাদ দেন। এছাড়া স্পিনার কয়টা আমাদের? দুই-তিনজন কিন্তু আমাদের অনেক ভালো পেসার আছে।
বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, এমনিতেও তো পাঁচটা পেসার আছে। কেন খেলছে না? চট্টগ্রামে খেলার কথা ছিল খেলে নাই। এখানেও অন্তত দুইজন খেলবে আমাকে নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু খেলে নাই, কেন? আমাকে তো বলা হচ্ছে খেলবে। পরে তো দেখি নামছে না। শুধু কোচ, অধিনায়ক না, পরাজয়ের জন্য সবার কাছেই জবাব চাইব।