বি৭১নি ডেস্ক ::
ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইওয়াশের পর ফেভারিট হয়েই টেস্ট সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আন্ডারডগ মানা হচ্ছিল।
কিন্তু ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার কাইল মেয়ার্সের এক ইনিংসেই দৃশ্যপট পাল্টে গেল। মেয়ার্সের ম্যাচ জেতানো অপরাজিত ২১০ রানের ইনিংসের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের থেকে আত্মবিশ্বাস ঠিকরে পড়ছে।
যার প্রয়োগ মাঠে দেখাচ্ছেন তারা । ১-০ তে এগিয়ে থেকে ঢাকা টেস্টে চালকের আসনে এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ফেভারিটের তকমা লাগানো বাংলাদেশ এখন ফলোঅন না পড়ার রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
সেই লড়াইয়ের স্বীকৃতে সেনা এখন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ দলের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম এ তারকা দলের আশা জিইয়ে রেখেছেন। ইতিমধ্যে অর্ধশতক পূরণ করেছেন মুশফিক।
৯৫ বল খেলে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২২তম ফিফটি করলেন মুশফিক। ছয়টি চারের মারে এ ফিফটি সাজিয়েছেন মি. ডিপেন্ডেবল।
মুশফিককে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন দ্বিতীয় টেস্টে জায়গা পাওয়া মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন।
কিন্তু মুশফিকের ফিফটির পর পরই আউট হলে গেলেন তিনি। তৃতীয় দিনে স্পিনার রাহকিম কর্নওয়ালের প্রথম শিকারে পরিণত হলেন মিঠুন।
কর্নওয়ালের ঘূর্ণিবলে ব্যাট চালিয়েছিলেন মিঠুন। কিন্তু মিসটাইমিং হয়ে তা ছোট্ট ক্যাচে পরিণত হয়। কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা অধিনায়ক ব্রাথওয়েট দুর্দান্তভাবে তা লুফে নেন।
ক্যাচটি নিয়ে সন্দেহ থাকায় রিভিউ নেন মিঠুন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। রিপ্লে দেখার পর থার্ড আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন।
১৫ রানে সমাপ্তি ঘটে মিঠুনের ইনিংসের। ৮৬ বল মোকাবিলা করতে পেরেছেন তিনি।
মিঠুনের পর ব্যাট হাতে নেমেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাস।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৭ রান। ৯৭ বল খেলে ৫০ রানে অপরাজিত মুশফিক ও ৮ বল খেলে ৫ রানে অপরাজিত লিটন দাস।
অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে এখনও ২৬২ রান পিছিয়ে বাংলাদেশ।